logo

চীনে আইটিআইর ৩৩তম বিশ্ব কংগ্রেস

রা মে ন্দু  ম জু ম দা র
১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের পর্যটন ও বন্দরনগরী শামেনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের (আইটিআই) ৩৩তম বিশ্ব কংগ্রেস। এবারই প্রথম চীনে আইটিআই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হলো। দুবছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় এ কংগ্রেস, যেখানে পৃথিবীর সব মহাদেশ থেকে নাটক, নৃত্য, সংগীত, নাট্য শিক্ষণ, নাট্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা মিলিত হয়ে থাকেন।
ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে আইটিআইর প্রতিষ্ঠা। বারোটি সদস্য দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করে এখন আইটিআইর সদস্য দেশের সংখ্যা একশর মতো। আইটিআইর বাংলাদেশ কেন্দ্র আমরা প্রতিষ্ঠা করি ১৯৮২ সালে। এযাবৎ দশটি আন্তর্জাতিক    সেমিনার,   নাট্যোৎসব, প্রযোজনা, কর্মশালা, প্রদর্শনী ও নানা প্রকাশনার কারণে বাংলাদেশ কেন্দ্র আইটিআইর প্রথম সারির সক্রিয় কেন্দ্রগুলোর অন্যতম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এবারের বিশ্ব কংগ্রেস ছিল সাংগঠনিক দায়বদ্ধতা ও সৃষ্টিশীলতার এক চমৎকার মেলবন্ধন। আইটিআকে যেহেতু আমরা বিশ্বের সর্ববৃহৎ নিবেদনকলা-বিষয়ক সংস্থা হিসেবে চিহ্নিত করি, আমাদের সকল সাংগঠনিক তৎপরতার মধ্যেও ছিল সৃষ্টিশীলতার ছোঁয়া।
১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শামেন লিটল ইগরেট আর্ট সেন্টারে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলাম আইটিআই সভাপতি হিসেবে আমি এবং চায়না ফেডারেশন অব লিটারারি অ্যান্ড আর্ট সার্কলসের জেনারেল ডিরেক্টর মিসেস ঝাও শি। এই ফেডারেশনটা চীনের সব সাংস্কৃতিক সংগঠনের নিয়ন্ত্রক এবং এর জেনারেল ডিরেক্টর বা জেনারেল সেক্রেটারি চীনের সংস্কৃতিমন্ত্রীর সমমর্যাদার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনায় অংশগ্রহণকারী সব দেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে কিশোর-কিশোরীরা মঞ্চে চমৎকার কোরিওগ্রাফি করে। বক্তৃতামালার বাইরে এবার সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনন্য পৃষ্ঠপোষকতার জন্যে শারজার আমির ড. শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসিমিকে আইটিআই স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। তিনি তাঁর বক্তৃতার শেষে বলেন, ‘আমি এ পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার পর চাই সবাই আমাকে এমন একজন হিসেবে মনে রাখুক যে থিয়েটারকে ভালোবেসেছিল।’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো ইসলামী রাষ্ট্রের একজন শীর্ষ নেতার এমন উচ্চারণ আমাদের দেশের ধর্মান্ধ ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন, যারা নাটকের মতো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে ধর্মবিরোধী বলে ফতোয়া দিয়ে থাকে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল মর্যাদাকর প্লাম ব্লসম অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী দলের সংগীত, নৃত্য ও বাদ্য পরিবেশনা। এবারের কংগ্রেসের থিম ছিল ‘এমপাওয়ারিং দ্য পারফরমিং আর্টস : এ জার্নি টু সিজু’। সিজু চীনের ঐতিহ্যবাহী অপেরা – অঞ্চলভেদে যার দুই শতাধিক ধরন রয়েছে।
কংগ্রেসের মূল কেন্দ্র ছিল বিশাল ও অত্যাধুনিক শামেন ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অ্যান্ড একজিবিশন সেন্টারে। এ-কেন্দ্রের আকার ও সুযোগ-সুবিধা দেখলে বিস্মিত হতে হয়। আমি যখন এ-কেন্দ্রের প্রশংসা করছিলাম তখন শামেনের মেয়র আমাকে জানালেন, তাঁরা কেন্দ্রটির সম্প্রসারণের কাজ শুরু করেছেন। নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্থান হিসেবে পর্যটন নগরীর এ-কেন্দ্রটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আমাদের সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের আদলে সম্মেলন কেন্দ্রের মূল সম্মেলন কক্ষে বসত আইটিআইর জেনারেল অ্যাসেম্বলি – যেখানে আইটিআইর সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সাংগঠনিক আলোচনা যাতে ক্লান্তিকর না হয়ে ওঠে সেজন্যে এক ঘণ্টা পরপর পাঁচ-সাত মিনিটের জন্যে চীনা ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার আয়োজন ছিল। এতে প্রতিনিধিরা নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছেন আলোচনা এগিয়ে নিতে। এ-ব্যাপারটি এবারই প্রথম আইটিআইতে প্রবর্তন করা হলো।
সাধারণত সকালে বসত জেনারেল অ্যাসেম্বলি আর দুপুরে খাবার পর বিভিন্ন কমিটির অধিবেশন। আইটিআইর রয়েছে বারোটি স্থায়ী কমিটি বা ফোরাম – যারা প্রকাশনা, সংগীত, নৃত্য, মনোড্রামা ইত্যাদির মতো বিষয়াবলি নিয়ে কাজ করে। আলাদা আলাদা কক্ষে একই সময়ে বসত এসব কমিটির অধিবেশন।
কংগ্রেস উপলক্ষে একটি অত্যন্ত উন্নতমানের সেমিনার আয়োজিত হয়েছিল। কমিউনিকেশন কমিটি ও ড্রামাটিক থিয়েটার কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ-সেমিনারের সঞ্চালক ছিলেন কমিউনিকেশন কমিটির সভাপতি বাংলাদেশের মফিদুল হক। বিষয় ছিল : ‘নিবেদনকলাকে জোরদারকরণ : কী করে তা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যময় ভবিষ্যতে অবদান রাখতে পারে।’ চীনা ও বিদেশি বিশেষজ্ঞরা সেমিনারে অংশ নেন। ইসরায়েলের প্রতিনিধি গ্যাড কায়নারের প্রবন্ধ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
কংগ্রেসে পরবর্তী দুবছরের জন্যে নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আইটিআইর নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে সাধারণ সদস্য দেশের ভোটে বিশজন নির্বাহী পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবার পঁচিশজন প্রার্থীর মধ্যে উনিশজন নির্বাচিত হন, যেখানে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে আমি সর্বোচ্চসংখ্যক ভোট লাভ করি। এটা বাংলাদেশের কর্মকাণ্ডের প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের সপ্রশংস স্বীকৃতিরই প্রকাশ বলে মনে করি। পরবর্তী সময়ে নতুন নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা প্রথম সভায় মিলিত হয়ে সাতজনের নির্বাহী বোর্ড গঠন করেন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো আমাকে সভাপতি হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করা হয়। সহসভাপতির জন্যে তিনটি নাম প্রস্তাবিত হলে গোপন ভোটে সুদানের আলি মাহদি ও সুইডেনের আন মারি এঙ্গেলকে নির্বাচিত করা হয়। গঠনতন্ত্র সংশোধন করে এবার সম্পাদক করা হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোহাম্মদ আফকামকে। সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত সেক্রেটারি জেনারেলের পদের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ডিরেক্টর জেনারেল। চুক্তি অনুযায়ী টোবিয়াস বিয়ানকোনে এ-পদে আরো দুবছর কাজ করবেন।
কংগ্রেস উপলক্ষে আমরা এবার একটা নতুন মাত্রা যুক্ত করেছি। প্রতিদিন একটি চার পাতার রঙিন নিউজ বুলেটিন প্রকাশিত হতো। বাংলাদেশ থেকে তিনজনের একটি দল (সেলিম চৌধুরী, এরশাদ কমল ও শামীম চৌধুরী) এর সম্পাদনা ও অঙ্গসজ্জার দায়িত্বে ছিলেন। রাত বারোটা নাগাদ বুলেটিনের পৃষ্ঠাগুলো ই-মেইলে প্রেসে পাঠিয়ে দেওয়া হতো এবং রাতে ছেপে পরদিন সকালে তা বিতরণ করা হতো। প্রেসে পাঠাবার আগে আমি একবার সবটা দেখে দিতাম। বুলেটিনটি সকলের প্রশংসা অর্জনে সমর্থ হয়।
প্রতিদিন সন্ধ্যায়ই ছিল অপেরা বা নাটকের আয়োজন। একই সন্ধ্যায় একাধিক নাট্য আয়োজন থেকে প্রতিনিধিদের বেছে নিতে হয়েছে তাঁদের পছন্দেরটি। চীনা নাট্য ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যময় সম্ভারের কিছু নিদর্শন  দেখার সুযোগ ঘটেছে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের।
কংগ্রেস উপলক্ষে তরুণ নাট্যকর্মীদের জন্যে দুটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় – যেখানে বাংলাদেশের তিনজন অংশগ্রহণ করে। এবারই বাংলাদেশ থেকে সর্বাধিকসংখ্যক প্রতিনিধি (বাইশজন) কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিল।
সম্মেলন ব্যবস্থাপনা এত নিখুঁত ছিল যে মনে হয়েছে, কেউ যেন পুতুলনাচের মতো অদৃশ্য হাতে সব নিয়ন্ত্রণ করছে। স্বেচ্ছাসেবক ছাত্রছাত্রীদের সদাহাস্য মুখে কোনোদিন ক্লান্তি বা বিরক্তির চিহ্ন দেখিনি। সার্বিক ব্যবস্থাপনা, উন্নতমানের আলোচনা ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিবেশনার গুণে শামেনে ৩৩তম বিশ্ব কংগ্রেস আইটিআইর ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।

ইউনেস্কো সদর দপ্তরে শামা রহমানের সংগীত পরিবেশন
ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে গত ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশতজš§বার্ষিকী এবং পাবলো নেরুদা ও অ্যামি সিজার স্মরণে দুদিনের অনুষ্ঠান। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা। আরো উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত শাহ আহমেদ শফি, সংস্কৃতি সচিব সুরাইয়া বেগম, ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় শীল ওবেরয়, ইউনেস্কোর সংস্কৃতি শাখার সহকারী মহাপরিচালক ফ্রান্সিসকো বান্দারিনসহ ফ্রান্স ও বাংলাদেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সোমবার অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন শামা রহমান, ভারতের কবিতা কৃষ্ণমূর্তি ও প্যারিসের উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। বেহালায় রবীন্দ্রসংগীতের সুর বাজান এল সুব্রাহ্মণ্যন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অপর্ণা সেন, শান্তনু রায় চৌধুরী, তবলাবাদক বিক্রম ঘোষসহ অনেকে।
এদিকে ইউনেস্কো শামা রহমানের গাওয়া রবীন্দ্রসংগীতের ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’ ও ‘বিচিত্র’ পর্যায়ের গান নিয়ে পাঁচটি অ্যালবাম এবং গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইউনেস্কো রিকনসাইল্ড ইউনিভার্সাল প্রোগ্রামের আওতায় প্রকাশ করেছে ‘অসীম তুমি’, ‘প্রাণের প্রদীপ’, ‘এই করেছো ভালো’, ‘আলো ভুবন ভরা’ শিরোনামে আরো চারটি অ্যালবাম।
১২ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে শামার এই অ্যালবামগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা।

ভেনিসে ওপেন ভাস্কর্য ও ইনস্টলেশন প্রদর্শনী
তরুণ শিল্পী রনি আহম্মেদ ও কিউরেটর এবাদুর রহমানের যুগল  শিল্প-নির্মিতি ‘কারা কোজের সমাধি’ সম্প্রতি ভেনিসের প্রখ্যাত ‘ওপেন’ ভাস্কর্য ও ইনস্টলেশন প্রদর্শনীর ১৪তম সংস্করণে স্থান পেয়েছিল।
ভেনিস সিটি কাউন্সিলের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও ইতালীয় সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্যিক সংস্থা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় সংগঠিত ‘ওপেন’ প্রদর্শনী এ বছর কিউরেটর পাওলো ডি গ্র্যান্ডিসের তত্ত্বাবধানে ও তৎপরতায় আয়োজিত হয়েছিল।
পাওলো, গ্লোরিয়া ভালেজ, চ্যাং সং-জুং, নোভিয়া কপোলো প্রভৃতি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান কিউরেটর ও তাঁদের নির্বাচিত ৩০ শিল্পীকে ‘ওপেনে’ অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
এবাদুর রহমান এবং তাঁর নির্বাচিত শিল্পী রনি আহম্মেদ এ উপমহাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পান।
এই প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজ শিল্পী মার্ক কুইন, চীন থেকে ফেঙ ফেঙ ও মা হান, ইতালির বিতর্কিত কনসেপচুয়াল শিল্পী মারিনা গাভাৎচি ও পিউনি অন্যদের মধ্যে এ-বছর এই প্রদর্শনীতে অংশ নেন।
‘কারা কোজের সমাধি’ শিল্পটি সালমান রুশদির এনচন্টেস অব ফ্লোরেন্স উপন্যাসটির কারা কোজ চরিত্রটিকে জনপ্রিয় সংস্কৃতি – যেমন মুম্বাইয়ের ফিল্ম মোগল এ আজম ও যোধা আকবর – লোকগাথা প্রভৃতির ভেতর দিয়ে অনুসরণ করে; এই ইনস্টলেশনটি চৈনিক শিল্পী আই ওয়েই ওয়েই-কৃত ডকুমেন্টা-১২ প্রদর্শনীর কিছু ধারণাও পুনরুদ্ধার করে।
‘কারা কোজের সমাধি’ ১২৫১টি গ্লাস দিয়ে তৈরি ১৪ ফুট উঁচু ও ২০ বর্গফুট চওড়া ত্রিভুজ, যা একটি লোহার বেদির ওপর বিন্যস্ত।
‘কারা কোজের’ প্রতিটি গ্লাসের ভেতর একটি চিত্রাঙ্কিত ডিম স্থাপন করা রয়েছে। ডিমের ওপর উৎকীর্ণ ছবিগুলো কুবলাই খাঁর দরবারে মার্কো পোলোর বলা কাহিনি, টোমাস খানের ‘ভেনিসে মৃত্যু’ বা সাম্প্রতিককালে ভেনিসে বাঙালি অভিবাসীদের তৎপরতা বর্ণনা করেছে।
এশিয়ান বিয়েনালে গ্র্যান্ড প্রাইজ পাওয়া শিল্পী মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান এবাদুর রহমানের সঙ্গে ভেনিসে যান ‘কারা কোজের সমাধি’ নির্মাণে সাহায্য করার জন্য।

Leave a Reply

*