logo

জর্জ কিট : আধুনিক শ্রীলংকার শিল্পগুরু

আ বু ল  ম ন সু র

দক্ষিণ এশীয় দেশ ভারত-বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের যে একটি সামগ্রিক সমতা রয়েছে খুব কাছাকাছি দেশ হলেও শ্রীলংকা যেন তার থেকে একটু ভিন্ন। কলম্বোতে সেটি ততটা অনুভূত না হলেও একটু দূরের শহর ক্যান্ডি বা গল্-এ গেলে পার্থক্যটা বুঝতে অসুবিধা হয় না। আরো দূরে নুয়ারা-এলিয়ার মতো পার্বত্য শহরে চিত্রটি একেবারেই ভিন্নরকম, মনে হবে দক্ষিণ এশিয়া নয়, স্কটল্যান্ডের কোনো ছোট শহরে এলাম বুঝি। এ পার্থক্যের কারণ আমার কাছে স্পষ্ট নয়, হয়তো অনেকগুলো কারণই এর পেছনে থাকতে পারে। দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলংকার ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা, জনসংখ্যার নিুহার আর শিক্ষার উচ্চহার কিংবা শ্রীলংকায় একটি বড় খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীর বসবাস অথবা সিংহলি ভাষা ও সাহিত্যের ততটা বিকাশ না হওয়া ও ইংরেজি ভাষার প্রাধান্য – এসবের ফলে ঔপনিবেশিক আমলের চালচলন আমাদের চেয়ে বেশি তাদের দেশে রয়ে যাওয়া, এগুলো বিচ্ছিন্নভাবে বা মিলিতভাবে কারণ হতে পারে।
এ বৈশিষ্ট্য খানিকটা প্রতিভাত হয়ে ওঠে যখন আমরা দেখি শ্রীলংকার দৃশ্যকলাজগতের যিনি কিংবদন্তি বা পিতৃপুরুষ তিনি ঠিক খাঁটি শ্রীলংকার মানুষ (সিম্হলিজ) নন। তিনি ভারতীয়-ওলন্দাজ পিতামাতার সন্তান জর্জ কিট (George Keyt)। তাঁর পিতা হেনরি কিট (Henry Keyt)ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং মাতা কনস্ট্যান্সি ¯প্রাউল (Constancy Sproule)  ডাচ্ বা ওলন্দাজ নারী। তবে শ্রীলংকার প্রাচীন রাজধানী ক্যান্ডিতে জন্ম ও শিক্ষা, দীর্ঘজীবন বসবাস, কৈশোরকাল থেকে বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর আকর্ষণ, পশ্চিমা সংস্কৃতিকে প্রত্যাখ্যান, তাঁর ছবি ও লেখায় শ্রীলংকা ও বৌদ্ধ ধর্মের গভীর প্রভাব – এসব মিলে জর্জ কিট তাঁর জন্মপরিচয়কে অতিক্রম করে হয়ে উঠেছিলেন অনেক সিম্হলিজের চেয়েও বেশি শ্রীলংকার প্রতিনিধি।
জর্জ কিটের দীর্ঘজীবন মোটামুটি গোটা বিংশ শতকজুড়ে (১৯০১-১৯৯২)। তিনি শিক্ষা নিয়েছেন ক্যান্ডির অভিজাত ট্রিনিটি কলেজে। তাঁর শিল্পীখ্যাতি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রকে স্পর্শ করলেও তাঁর নিজের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষা ছিল না। কিট শুধু শিল্পচর্চাই করেননি, তিনি শ্রীলংকার অন্যতম কবি ও লেখক; এছাড়া শিল্পকলা বিষয়ে কিছু লেখালেখিও তাঁর রয়েছে। শ্রীলংকার দৃশ্যকলার উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও জর্জ কিট পালন করেছেন অগ্রণী ভূমিকা। শ্রীলংকার আধুনিক শিল্প-আন্দোলনের পথিকৃৎ ‘ফরটিথ্রি গ্রুপে’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। এভাবে জর্জ কিট হয়ে উঠেছেন আজ পর্যন্ত শ্রীলংকার সবচেয়ে খ্যাতিমান চিত্রশিল্পীই শুধু নন, ওই দেশের আধুনিক শিল্পের পথচলার অগ্রনায়ক। আমাদের যেমন জয়নুল আবেদিন, প্রায় একই রকমভাবে শ্রীলংকার জর্জ কিট। তবে অমিলও রয়েছে বটে। জয়নুল আবেদিন পশ্চিমা শিল্পের প্রকরণকে তেমন গ্রহণ করেননি। জর্জ কিটের চিত্র-সংগঠনে ক্যুবিজম একটি প্রধান উপাদান হিসেবে বিরাজ করেছে; যদিও তাঁর বিষয় ও প্রকাশভঙ্গিতে উপমহাদেশের প্রাচীন চিত্র-ঐতিহ্য ও তাঁর সমকালের কোনো কোনো ভারতীয় শিল্পীর প্রভাবকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
পাহাড়ঘেরা প্রাচীন রাজধানী ক্যান্ডির প্রাকৃতিক মাদকতা আর এর বৌদ্ধ সংস্কৃতির পরিমণ্ডল কিটকে তাঁর কৈশোর-যৌবনকাল পর্যন্ত আচ্ছন্ন করে রেখেছিল, যা তাঁর শিল্প ও সাহিত্য রচনায় গভীর প্রণোদনা হিসেবে কাজ করেছে। তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন, এর পুনর্জাগরণের কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় প্রকাশনাগুলোতে ব্যাপকভাবে লিখতে ও অলংকরণের কাজ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি পশ্চিমা জীবনাদর্শ ও সংস্কৃতি, যার ভেতরে তাঁর নিজের জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তার প্রতিও বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠতে থাকেন। বিপরীতে ক্যান্ডি ও এর আশপাশের প্রকৃতির অনাবিল রূপ ও এর মানুষের নিস্তরঙ্গ অথচ সরল জীবন তাঁর কাছে অনেক আকর্ষণীয় মনে হতে থাকে এবং তাঁর চিত্রকর্মে তারও প্রভাব এসে পড়ে। আমাদের মতোই একদিকে পশ্চিমা বাস্তবতাবাদের অপরিণত অনুকরণ আর অন্যদিকে ভাবাবেগ-আক্রান্ত ঐতিহ্যবাদিতার মাঝখানে যখন ওই দেশের শিল্প ঘুরপাক খাচ্ছিল তখন সংগীতশিল্পী, আলোকচিত্রী, লেখক-সমালোচক, শিল্পসংগ্রাহক লিওনেল ওয়েন্ট আর তখনকার ঔপনিবেশিক সরকারের চিফ গভর্নমেন্ট ইন্সপেক্টর অব আর্ট ইংরেজ শিল্পী চার্লস ফ্রেডেরিক উইঞ্জারের অনুপ্রেরণায় একদল তরুণ শিল্পী চিত্রশিল্পে একটি পালাবদলের সূচনায় ব্রতী হলেন। এঁদের মধ্যে প্রধান ছিলেন জে পি দেরানিয়াগালা, জর্জ কিট, জিওফ্রি বেলিং ও হ্যারি পিয়েরিস। এঁরা ছাড়াও ছিলেন জর্জ ক্লায়েসেন, ইভান পিয়েরিস, রিচার্ড গ্যাব্রিয়েল, অব্রে কোলেট, মঞ্জুশ্রী থেরো প্রমুখ। এঁরা গঠন করলেন ‘ফরটিথ্রি গ্রুপ’, যা শ্রীলংকার সমকালীন চিত্রধারাকে সস্তা ভাবাবেগের ধারা থেকে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
জর্জ কিটের চিত্রকর্মের সূচনায় বৌদ্ধ ধর্মীয় অনুপ্রেরণার প্রাধান্য থাকলেও ভারতে ভ্রমণ ও অবস্থান এবং ভারতীয় শিল্পের নিদর্শনসমূহ দর্শনের কারণে ক্রমে ক্রমে হিন্দু ধর্মীয় উপাখ্যান, পুরাণ কাহিনি ও সাহিত্যের পাত্র-পাত্রী ও ঘটনা তাঁর শিল্পের বিষয় হিসেবে ব্যাপকভাবে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯৩৯ সাল থেকে সত্তরের দশক পর্যন্ত কিট অনেকবার ভারত ভ্রমণ করেছেন এবং বেশ কয়েক দফায় স্বল্প ও দীর্ঘ সময় ভারতে বসবাস করেছেন। এ সময় তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর কথায় অনুপ্রাণিত বোধ করেন।
জর্জ কিটের চিত্রধারার প্রতি দৃষ্টিপাত করলে এটি অনুধাবন করতে অসুবিধা হয় না যে, তাঁর চিত্রকর্মে পশ্চিম ও প্রাচ্যের একটি সম্মিলন ঘটানোর সচেতন প্রয়াস রয়েছে। পশ্চিমের ক্যুবিজম ও পিকাসোর প্রভাব প্রবল, তবে ফভিজম, এক্সপ্রেশনিজম বা মাতিসের অনুপ্রেরণাও অনুভব করা যায়। উপমহাদেশীয় শিল্পধারার মধ্যে অজন্তা, নন্দলাল বসু এবং বিশেষ করে যামিনী রায়ের প্রভাব বিশেষভাবে দৃশ্যমান। ১৯৩৯-৪০ সালে বরেল্লায় অবস্থিত বিখ্যাত গৌতমী বৌদ্ধবিহারের অভ্যন্তরে মন্দিরগৃহের গায়ে আঁকা বৃহৎ দেয়ালচিত্রটি জর্জ কিটের একটি অন্যতম শিল্পকর্ম। এখানে তিনি অজন্তার মতো জাতকের, অর্থাৎ গৌতম বুদ্ধের জন্মকাহিনিকে ধারাবাহিকভাবে বিবৃত করেছেন এবং চিত্ররীতি নির্বাচনে অজন্তার চিত্রধারাকে প্রায় হুবহু অনুসরণ করেছেন।
দীর্ঘজীবনে জর্জ কিট অসংখ্য চিত্রকর্ম ও রেখাচিত্র রচনা করেছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতিকৃতি, আবেদনময়ী নারী, প্রেমিকযুগল, ভূদৃশ্য ইত্যাদি। তবে এর চেয়েও অনেক অধিক পরিমাণে রয়েছে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মীয় উপাখ্যান ও পুরাণ কাহিনির পাত্র-পাত্রীদের উপস্থিতি। তাঁর চিত্রতলকে কিট বঙ্কিম রেখার ছেদে বিভক্ত করেন, সরলরেখার ব্যবহার নগণ্য। মানবশরীরের রূপায়ন ক্যুবিক ভাঙনের দ্বারা প্রভাবিত হলেও তারা পিকাসোর মানবমূর্তির মতো বিমানবিকৃত বস্তুসদৃশ নয়। কিটের মানবরূপ বরং অত্যন্ত শরীরী ও আবেদনময়। বিশেষ করে নারীশরীর তীব্র যৌন আবেদনময়, তাদের চোখ পিকাসোর মতো উলটাপালটাভাবে সংস্থাপিত নয়, বরং অজন্তা-নারীর মতো টানাটানা ও বিলোল কটাক্ষপূর্ণ। তাঁর কিছু চিত্রকর্মে নন্দলাল বসুর প্রেরণা লক্ষ করা যায়, বিশেষ করে রেখাচিত্রে। এর চেয়ে বেশি অনুভব করা যায় যামিনী রায়ের প্রভাব। জর্জ কিটের কিছু চিত্রকর্মের সঙ্গে যামিনী রায়ের ছবির ব্যাপক মিল রয়েছে, যদিও কিটের জ্যামিতিকতার প্রাধান্য যামিনী রায়ে নেই। তাঁর চিত্রকর্মের সঙ্গে যতটুকু পরিচয় সম্ভব হয়েছে তাতে মনে হয় বিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে সক্রিয় থাকলেও জর্জ কিটের কাজে পরিবর্তনের হাওয়া বিশেষ লাগেনি। যতটা বিশদভাবে জানলে এ সম্পর্কে মূল্যায়ন করা সম্ভব ততটা নেই বলে এ সম্পর্কে মন্তব্য না করাই সমীচীন বলে মনে করি। ঊনবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে যখন এ শিল্পীর জন্ম তখন ভারতীয় চিত্রকলার একটি সন্ধিক্ষণ। পরবর্তী অর্ধশতক ভারতজুড়ে চলেছে পশ্চিমা শিল্পরীতি বনাম ভারতীয় ঐতিহ্যিক রীতির গ্রহণ-অগ্রহণের বিবাদ। কিট তাঁর যৌবনকাল অতিক্রম করেছেন এ অনিশ্চিতির পশ্চাৎপটে। এ অনিশ্চিতির ভেতর অবস্থান করেও তিনি নিজের জন্য একটি সংশ্লেষিত শিল্পশৈলী নির্মাণ করেছেন এবং সেটিকে জীবনব্যাপী চর্চার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিল্পাঙ্গনে নিজের জন্য একটি আসন অর্জন করে নিয়েছেন – এটি কম কথা নয়। ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত তিনি শ্রীলংকা ও ভারত ছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একক প্রদর্শনী করেছেন, আর দলীয় প্রদর্শনীতে তাঁর ছবি পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এখনো শ্রীলংকার প্রতিনিধিত্ব করছে। তাঁর শিল্পকর্ম বিষয়ে আলোচনা লিখেছেন হার্বাট রীড, উইলিয়াম আর্চার, ই এম ফর্স্টার, জন বার্জার, মুল্ক রাজ আনন্দ প্রমুখ বিশিষ্ট কলাবিশেষজ্ঞ। ১৯৬৮ সালে শ্রীলংকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানিক ডি.লিট প্রদান করে, ১৯৭০ সালে সিলোন সোসাইটি অব আর্ট শিল্পকলায় অবদানের জন্য তাঁকে সম্মানিত করে। উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালে যুক্তরাজ্য সরকার তাঁকে অত্যন্ত সম্মানিত ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার’ খেতাব দিতে চাইলে কিট সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
জর্জ কিটের শিল্পপ্রতিভার আলোকচ্ছটার কারণে তাঁর কবি-প্রতিভার পরিচয় অনেকটাই চাপা পড়ে গেছে। অথচ এটি অনস্বীকার্য যে, আধুনিক শ্রীলংকার প্রধান কবিকুলের তিনি অন্যতম একজন। তাঁর তিনটি কাব্যগ্রন্থ – পোয়েমস, দ্য ডার্কনেস ডিজরোব্ড ও ইমেজ ইন অ্যাবসেন্স ক্যান্ডি থেকে ১৯৩৬-৩৭ সালে ব্যক্তিগত ও সীমিত উদ্যোগে প্রকাশিত হওয়ার পর আর কখনো পুনর্মুদ্রিত হয়নি। ফলে সমকালীন কাব্যামোদীদের কাছে আজ তিনি অজ্ঞাত হয়ে পড়েছেন। সিম্হলি লোককাহিনি ও সমকালীন সাহিত্য সম্পর্কে তাঁর গভীর জ্ঞানের ফলশ্র“তি সিম্হলি কবিতার ইংরেজি অনুবাদ গ্রন্থটিও ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর আর মুদ্রিত হয়নি। একমাত্র ফোক স্টোরিজ ফ্রম শ্রীলংকা ও জয়দেবের গীতগোবিন্দর তাঁর কৃত ইংরেজি অনুবাদ ও অলংকরণের দুটি গ্রন্থ পুনর্মুদ্রিত হয়ে এখনো জনপ্রিয় রয়েছে।
জর্জ কিট শ্রীলংকার দৃশ্যকলাজগতে কিংবদন্তি ও অগ্রপথিক হওয়া সত্ত্বেও তাঁর স্মৃতি আজ অনেকখানিই শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত হয়েছে। আমাদের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনেরও পরিণতি প্রায় একই রকম। তবে আমরা যা করতে পারিনি শ্রীলংকার সংস্কৃতি-অনুরাগীরা তা করতে পেরেছেন। ১৯৮৮ সালে তাঁরা জর্জ কিটের জীবদ্দশায় স্থাপন করেছেন ‘জর্জ কিট ফাউন্ডেশন’, যার মূল কাজ জর্জ কিটের সকল শিল্পকর্মের সংরক্ষণ হলেও দৃশ্যকলা, সংগীত-নৃত্য, নাটক, চলচ্চিত্র ইত্যাকার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তাঁরা সহায়তা প্রদান করে চলেছেন। তরুণ শিল্পচর্চাকারীদের জন্য প্রণোদনারও নানান সুযোগ তাঁরা সৃষ্টি করেছেন। এক্ষেত্রে অন্তত তাঁরা আমাদের চেয়ে অগ্রবর্তী মানসিকতার পরিচয় প্রদান করেছেন।

Leave a Reply

*