logo

মুক্তপ্রাণের ধারায় ‘মুক্তধারা’ ঢাকার মঞ্চে

র জ ত  সি ক স্তি
যান্ত্রিক সভ্যতার ব্যাপারে মানুষ প্রথম হোঁচটটি খেল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে। সমস্ত বিশ্ববিবেক মুষড়ে পড়ল এবং সভ্যতার এই নতুন সংকট থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে লাগল। একদিকে যন্ত্রের অপরিহার্যতা অন্যদিকে এর মারাত্মক গ্রাসী রূপ। মানুষের নৈতিকতার স্তরে শুরু হলো নানান রকম ভাঙন। যন্ত্রের কাছে অসহায় মানুষ দিন দিন দেখতে লাগল নিজের কোণঠাসা অবস্থান।
ঠিক এ-সময়ই প্রায় সমস্ত পৃথিবীতে কবি, শিল্পী, নাট্যকার, সংগীতশিল্পী, দার্শনিক, সমাজকর্মীসহ অগ্রসর চিন্তার মানুষ নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজ শুরু করেন। দেখানোর চেষ্টা করেন এই যান্ত্রিক সভ্যতার সংকট থেকে উত্তরণের নানান পথ। প্রাণ ও প্রকৃতির সপক্ষে থেকে যন্ত্রের কদর্যতার বিরুদ্ধে চিরায়ত সংগ্রামী মানুষের জয়ধ্বনি এবং কীভাবে মানুষ এগিয়ে যাবে এইসব নতুন সংকটকে ডিঙিয়ে তার প্রাণশক্তিবলে সেই চিত্র।
বিশ্ববিবেকের অন্যতম রবীন্দ্রনাথ ঠিক এই পরিস্থিতিতেই লিখলেন তাঁর মুক্তধারা নাটকটি। যন্ত্র এবং জীবন, শক্তি এবং সুন্দর পাশাপাশি রেখে তিনি যেখানে দেখালেন মানুষের অনন্ত প্রকৃতি হলো জীবন এবং সুন্দরের সৌষ্ঠব। এটাকে যন্ত্রের আধিপত্য কিংবা শক্তির নিষ্ঠুরতা কোনোভাবেই নস্যাৎ করতে পারে না।
আমাদের জন্য স্বস্তির এবং আনন্দের বার্তা হলো আজকের মুহুর্মুহু পরিবর্তিত পৃথিবীতেও রবীন্দ্রনাথ কিংবা তাঁর সৃষ্টিগুলো একটুও প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। বরং দিন দিন তাঁর ভাষা, বক্তব্য, চেতনা ও আহ্বান যেন আমাদের অন্তরাত্মা পর্যন্ত বিস্তৃতির দাবি করে যাচ্ছে।
এ-বছর বেশ বড়সড় আয়োজনের ভেতর দিয়ে ত্রিশ কোটি বাঙালিসহ পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ পালন করল রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী। বাংলাদেশ সরকারের আয়োজনে নানান অনুষ্ঠানে, বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন নিজেদের মতো আয়োজনে প্রায় পুরো বাংলাদেশই যেন মেতে উঠল তাঁর এই একশ পঞ্চাশতম জন্মতিথিতে। ঢাকার মঞ্চে বিভিন্ন নাট্যদলের অভিনয়শৈলীতে মঞ্চস্থ হলেন প্রায় সমগ্র নাট্যকার রবীন্দ্রনাথ। এর ভেতর উল্লেখযোগ্য ছিল রবীন্দ্রনাথের চিরায়ত রাজনৈতিক দর্শনের মুক্তধারা নাটকটি। ভিন্ন দুটি দল নিজ নিজ দৃষ্টিভঙ্গিতে অল্প কদিনের ব্যবধানে বেশ কয়েকবার মঞ্চস্থ করল জাতীয় নাট্যশালার মঞ্চে মুক্তধারাকে।
উত্তরকূট ও শিবতরাই নামক দুটি অঞ্চলের মানুষের মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না। উত্তরকূটের মানুষ শক্তিতে বিশ্বাসী। তাদের স্বভাবে ও চিন্তায় ভয়ংকর কুটিলতা। তারা শিবতরাই অঞ্চলের সহজ-সরল দুর্বল মানুষকে দমন-পীড়নের চেষ্টা চালায়। একসময় এই দমনকে পাকাপোক্ত করতে তারা প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের মুক্তধারা ঝরনায় একটা যান্ত্রিক বাঁধ নির্মাণ করে। এতে শিবতরাইয়ের নিরীহ জনগণ পানিসহ নানান সংকটের মুখে পড়ে। কিন্তু রাজশক্তির বিরুদ্ধে তাদের তেমন কিছুই করার থাকে না। তখন উত্তরকূটের রাজার ছেলে বিবেকের প্রণোদনায় এই কৃত্রিম বাঁধ ভাঙে এবং ভাঙতে গিয়ে প্রাণোৎসর্গ করে। মুক্ত করে শিবতরাইয়ের অসংখ্য প্রাণ ও প্রকৃতিকে যান্ত্রিক দানবের থাবা থেকে। এই হলো মুক্তধারার ঘটনা সংক্ষেপ।
আমাদের বাংলাদেশসহ পৃথিবীর নানান অঞ্চলই আজ শিবতরাই; যেখানে যন্ত্র কেড়ে নিচ্ছে প্রকৃতি থেকে প্রাণ। বাঁধ দেওয়া হচ্ছে মুক্তধারার আদলে নদ-নদী, খাল-বিলে : ধ্বংস আর হুমকির মুখে মানুষের প্রাণ, প্রকৃতি, জীবন ও জীবিকাসহ বিশাল জনগোষ্ঠী। মানুষের সোচ্চার কণ্ঠকে দমন-পীড়নে রুদ্ধ করে দিচ্ছে শক্তির নোংরা হাত। বিপন্ন মানুষের পক্ষে শেষ পর্যন্ত রাজার ছেলে অভিজিতের মতোই যেন রবীন্দ্রনাথ হয়ে উঠলেন শেষ ভরসার স্থান। তিনি জানান দিচ্ছেন, এই শক্তির পতন অবশ্যম্ভাবী। মানুষের চিরকালীন সংগ্রামের কাছে পরাজয় নিশ্চিত এই ধ্বংসযজ্ঞের, আপাতদৃষ্টিতে তা যতই শক্তিশালী মনে হোক না কেন। কারণ মুক্তিই হলো মানুষের অমোঘ নিয়তি। আর এখানে এসেই এই মুক্তধারা নাটক তথা রবীন্দ্রনাথ হয়ে ওঠেন চিরকালীন। আমাদের ভবিষ্যৎ সভ্যতার সমান যার পদক্ষেপ।
দেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাট্যদলগুলোর অন্যতম ‘থিয়েটার’ গত ৫ মে মঞ্চে আনল বিশাল ক্যানভাসের নাটকটি। ছাব্বিশ বছর পর থিয়েটার নায়লা আজাদ নূপুরের নির্দেশনায় আবার রবীন্দ্রনাটক নিয়ে দর্শকদের সামনে উপস্থিত হলো। অধিকাংশ নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রী এ-নাটকে কাজ করেছেন। উদ্বোধনী প্রদর্শনীর এই দিনে দর্শকসমাগম ছিল   কানায়  কানায়  ভরপুর।  বিশাল  সেট,   সুপরিকল্পিত   আলোর
বিন্যাস এবং অনবদ্য অভিনয়কলাকে দর্শক মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে অভিনন্দন জানাল। রবীন্দ্রদর্শন ও শিল্পজাত গাম্ভীর্যতা রক্ষাপূর্বক নির্দেশক নিজের মনন এবং মেধাকে স্বতন্ত্রভাবে ফুটিয়ে তুলতে সমর্থ হন। কোথাও কোনো বিচ্যুতি, অসংগতি বা তাল-লয় কেটে যায়নি দীর্ঘ পরম্পরায়। ছিল প্রতিটি দৃশ্যে, সংলাপে, ভঙ্গিতে, বক্তব্যে যতœ-আন্তরিকতা এবং পরিশ্রমের ছাপ।
নাটকের নির্দেশকের সঙ্গে আলাপ প্রসঙ্গে আমরা জানতে চাই :

প্রশ্ন : এটিই কি আপনার নির্দেশিত প্রথম রবীন্দ্রনাটক?
নায়লা আজাদ নূপুর : না, আমি এর আগে নির্দেশনা দিয়েছি বিসর্জন, চিত্রাঙ্গদা ও রাজা নাটক।
প্রশ্ন : সার্ধশত জন্মবার্ষিকীর জন্য রবীন্দ্রনাথের এই নাটকটি কেন বেছে নিয়েছেন?
নায়লা আজাদ নূপুর : আসলে সারা বিশ্বের প্রেক্ষাপটকে এই নাটকে দেখতে পাওয়া যায়। চারদিকেই পরিবেশদূষণ এবং প্রকৃতির বিরুদ্ধে নানান কর্মকাণ্ডের ফলে বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। পৃথিবী অস্থিরতা আর সংঘাতে ভরে যাচ্ছে। তাই এই নাটকের বার্তাটি খুবই প্রাসঙ্গিক মনে হলো। তাছাড়া বাংলাদেশ তো একদমই এই নাটকের জন্য যথার্থ জায়গা। দর্শকদের প্রতিক্রিয়া থেকেও সেটার প্রমাণ মিলল।
প্রশ্ন : এত বড় ক্যানভাসের একটা নাটক নির্দেশনা দিয়ে আপনার অনুভূতি কেমন?
নায়লা আজাদ নূপুর : রবীন্দ্রনাথের নাটকের নির্দেশনা দিতে পারার অনুভূতি আমার জন্য সবসময়ই অসাধারণ। আবার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অনেকেই ছিল নতুন। তবু তারা যথেষ্ট পরিশ্রম করেছে এবং ভালোই অভিনয় প্রদর্শন করেছে। সব মিলে এটা একটা চমৎকার ব্যাপার। আমি আনন্দ পেয়েছি।
প্রশ্ন : ভবিষ্যতে আবার রবীন্দ্রনাটক নির্দেশনার পরিকল্পনা আছে? থাকলে সেটা কবে নাগাদ?
নায়লা আজাদ নূপুর : না, আপাতত তেমন পরিকল্পনা নেই। তবে আরো কিছুদিন পর হয়তো ভেবেচিন্তে বা সুযোগ করে নিয়ে Ñ সেটা এখনই বলতে পারছি না।
প্রশ্ন : আপনি তো আমেরিকায়ই বাস করেন। সেখানে বাঙালিদের মধ্যে রবীন্দ্রচর্চা কেমন?
নায়লা আজাদ নূপুর : ভালো, অনেকেই রবীন্দ্রসংগীত গায়, শেখে। আর নাটক বলতে গেলে ওইভাবে হয় না Ñ এর কিছু অন্য কারণও আছে। সব মিলে বাঙালিরা যেখানে আছে, রবীন্দ্রনাথ তো সেখানে থাকবেনই।

মুক্তধারা নাটকের সঙ্গে এদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের সংকটের জায়গাটি অনেক বেশি সম্পর্কিত। তাই উত্তরাঞ্চলের ‘রংপুর নাট্যকেন্দ্রে’র প্রযোজনায় ১৪ জুন মঞ্চস্থ হলো জাতীয় নাট্যশালায় মুক্তধারা। নির্দেশনায় ছিলেন অধ্যাপক রশিদ হারুন। সম্পূর্ণ নাটকের কোথাও কোনো বক্তব্যের হেরফের না করে রংপুর নাট্যকেন্দ্র নাটকে ভিন্ন ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় উপস্থাপন করার মাধ্যমে। দর্শকদের ভিন্ন স্বাদ দেওয়ার পাশাপাশি উঠে আসে বাঁধপীড়িত উত্তরাঞ্চলের বাস্তবের দুঃখকষ্টের উচ্চারণ। যেন সাক্ষাৎ শিবতরাইয়ের সেই সব বিপদাপন্ন সহজ সরল মানুষেরই এই কণ্ঠ। যারা প্রান্তিক ও পর্যুদস্ত।
সাদাসিধে অথচ চমৎকার অর্থবহ সেট, অসাধারণ নাট্যক্রিয়া আর বুদ্ধিদীপ্ত নির্দেশনার যৌথ প্রয়াসগুলো মুক্তধারার দর্শকদের আরেক শিল্প অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে দিতে পেরেছে এই প্রযোজনা। নির্দেশকের কাছে আমরা জানতে চাই।
প্রশ্ন : রবীন্দ্রনাথের নাটকগুলোর মধ্যে মুক্তধারা আলাদা কোনো বৈশিষ্ট্যের দাবি রাখে?
রশিদ হারুন : অন্তর্গতভাবে রবীন্দ্রনাথের সব নাটকই আলাদা বৈশিষ্ট্যের দাবি রাখে। মোটাদাগে কিছু ঐক্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত মৌলিক পার্থক্য বেরিয়ে আসে। মুক্তধারা নাটকে রবীন্দ্রনাথ বিশেষ কোনো চরিত্রকে প্রাধান্য না দিয়ে একটা সমগ্র জনগোষ্ঠীর ওপর দৃষ্টি আরোপ করেন। আরেকটা দিক হচ্ছে Ñ এই স্থানে বিকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঘটনাগুলোর বিন্যাস ঘটান। এতে গ্রিক নাটকের
ত্রি-ঐক্যের শিল্পিত ব্যাপারটা রক্ষিত হয়েছে। এগুলোই এর কাঠামোগত ভিন্নতা। আর বক্তব্য তো খুব স্পষ্ট ভাষায়ই স্বাতন্ত্র্যের দাবি রাখে।
প্রশ্ন : রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় সংলাপ তৈরির কারণ-
রশিদ হারুন : নাটকে যে বাঁধ এবং বাঁধের ফলে শিবতরাইয়ের জনগণের দুর্ভোগ তার সঙ্গে আমাদের উত্তরাঞ্চলের ফারাক্কা বাঁধজনিত সমস্যা এবং ওখানকার মানুষদের জীবনে এর প্রভাব খুবই ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে আছে। তাই এদের আঞ্চলিক ভাষাতেই এদের সমস্যা-সংকটের রূপটি তুলে আনাকেই যুক্তিযুক্ত মনে করেছি। এবং সেটাই এই নাটকের একটা ভিন্ন আবেদন তৈরি করতে পেরেছে বলে আমি মনে করছি। এক্ষেত্রে আমরা কোনো সংলাপের হেরফের ঘটাইনি। যা ছিল তার শুধু আঞ্চলিক রূপটাই তুলে ধরেছি।
প্রশ্ন : ‘রংপুর নাট্যকেন্দ্র’ কাজ করছে মফস্বলে। ওখানে কাজ করার, বিশেষ করে এত বড় একটি নাটকের জন্য কোনো বিশেষ দিক চোখে পড়েছে?
রশিদ হারুন : হ্যাঁ, কিছু অবকাঠামোগত, অর্থনৈতিক এবং সময়সংক্রান্ত সমস্যা তো আছেই। তবু মফস্বলের নাট্যদল হলেও এরা ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সেগুলো উতরে যাওয়ার চেষ্টায় আছে। মুক্তধারা নাটকটি রংপুরেও কয়েকবার মঞ্চস্থ হয়েছে। সাড়া মিলেছে দারুণ। কলকাতায়ও আমাদের প্রযোজনায় দর্শকরা খুবই উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন। সব মিলে মফস্বলে হলেও দলটির পরিশ্রম এবং আন্তরিকতায় কোনো ঘাটতি নেই। যার ফলে ওই সমস্যাগুলো থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।
প্রশ্ন : এ বছর সার্ধশতজন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যে রবীন্দ্রনাট্যগুলো মঞ্চস্থ হচ্ছে এগুলো কেমন প্রতিক্রিয়া ফেলতে পারছে দর্শকদের মধ্যে? এবং অভিনয়-বক্তব্যে কোনো ঘাটতি চোখে পড়ছে?
রশিদ হারুন : খুবই আশাজনক। দর্শকও হচ্ছে হলভর্তি। আর প্রতিক্রিয়া আমি বলব অভূতপূর্ব। তবে ঘাটতির কথা যেটা বললেন সে-রকম তেমন চোখে পড়েনি। সব দলই যথেষ্ট যতœ এবং দরদ দিয়ে রবীন্দ্রনাটক মঞ্চস্থ করার চেষ্টা করে। ফলে সর্বোচ্চটা ঢেলে দেয়।

১৯২১ সাল নাগাদ রবীন্দ্রনাথ পৃথিবীর পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কটি দেশ ভ্রমণ করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেই ১৯২২ সালে মুক্তধারা লেখেন। সে বছরই এটি মঞ্চস্থ হয় প্রথম। পৃথিবীর জন্য রবীন্দ্রনাথ বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেন Ñ ধ্বংস ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের প্রকৃতিগত সহজাত নিত্য সুন্দরের বিজয়, যে-বিজয়ের পথে মানুষ তথা চিরকালের মানুষ তাদের পদযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
আজো সারা বিশ্বে পরিবেশ বিপর্যয় থেকে শুরু করে সাম্রাজ্যলোভী শক্তির ধ্বংসচিন্তা পর্যন্ত আমাদের মুক্তপ্রাণের ধারাকে বাঁচিয়ে রাখতে দরকার তেমনি সংগ্রামী পদযাত্রা। রবীন্দ্রনাথ এই সংগ্রামে আমাদের প্রাণশক্তি হয়ে আছেন, থাকবেন। এই মহান শিল্পস্রষ্টা আশা করি থাকবেন আরো সুদীর্ঘকাল, যতদিন থাকবে আমাদের প্রাণের মুক্ত প্রকৃতির ধারাটি।

Leave a Reply

*